No icon

টলি পাড়ায় শুটিং নিয়ে ফেডারেশনের পাশে দাঁড়ালো পরিচালকদের পুরানো সংগঠন "EIMPDA"

রাজকুমার দাস

অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউ চলার ফলে কার্যত কাজ হারিয়েছে সব ইন্ডাস্ট্রির র মতো চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে যুক্ত বেশির ভাগ মানুষ। বর্তমান প্রযোজক ও চ্যানেল কতৃপক্ষের মেলবন্ধনে ওয়ার্ক ফ্রম হোম হিসাবে অভিনয় বাড়িতে বসে করছেন শিল্পীরা।এতে এই শিল্পের সাথে অন্যান্য কলাকুশলী রা কাজ পাচ্ছেন না। শুধু অভিনয় শিল্পীরা কাজ করছে। ফলে ফেডারেশনের থেকে এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছে স্বরূপ বিশ্বাস সহ অন্যান্য রা।যদিও আর্টিস্ট ফোরাম এর বিরুদ্ধে না গিয়ে প্রযোজক ও চ্যানেল এর পাশে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় বসে নেই টালিগঞ্জের পুরানো পরিচালকদের সংগঠন-"ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স ডিরেক্টর এসোসিয়েশন"(EIMPDA)। তারা সম্প্রতি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানান-"আমাদের সংগঠনের সদস্যদের অধিকাংশই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত,তাই গত দুই বছর ধরে করোনা সংক্রান্ত কারণে লক ডাউন ও বিভিন্ন সরকারি  বিধিনিষেধের কারণে আমরা চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে পারিনি, এবং যারা করেছিলেন তাদের অনেকেই ঠিকমতো প্রেক্ষাগৃহে সেইসব চলচ্চিত্র পরিবেশন করতে পারিনি। এই কারণেই বর্তমানে আমাদের অধিকাংশ সদস্যের হাতে কোনো প্রযোজক নেই। তাই অত্যন্ত অর্থনৈতিক ভাবে খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে আমাদের চলতে হচ্ছে। 

এমতাবস্থায় আমরা শুনলাম টেলিভিশন এর প্রযোজক ও চ্যানেল কতৃপক্ষ অন্যায় ভাবে অনেক শিল্পী ও কলাকুশলীদের না নিয়ে এক অদ্ভুত প্রক্রিয়ায় শুটিং করছেন, ফেডারেশন এর পক্ষ থেকে সভাপতি শ্রী স্বরূপ বিশ্বাস এর ঘোর বিরোধিতা করেছেন বলেও জেনেছি। মাননীয় সভাপতি শ্রী স্বরূপ বিশ্বাস এর এই বিরোধিতা অত্যন্ত ন্যায় সঙ্গত ও নীতি গত বলে আমরা মনেকরি। আমরা ফেডারেশনের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে, এবং আমাদের সংগঠন ফেডারেশন সভাপতি শ্রী স্বরূপ বিশ্বাসের পাশে আছে। এর সঙ্গে আমাদের প্রস্তাব, প্রয়োজনে ফেডারেশন এর পক্ষথেকে প্রতিটি প্রোডাক্শনে যাতে একজন অবজার্ভার থাকে, যিনি লক্ষ্য রাখবেন সঠিক সরকারি  নিয়ম নীতি মেনে শুটিং হচ্ছে কিনা, ফেডারেশনের কোনো নিয়ম পালন হচ্ছে কিনা"। এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে সংগঠনের তরফে 
রাজা মিত্র (সভাপতি), স্বপন সাহা (সহ সভাপতি), অনুপ সেনগুপ্ত (সহ সভাপতি), শঙ্কর রায় (সা: সম্পাদক )।

এখন দেখার এর প্রভাব কতটা পড়ে।

Comment