No icon

দীর্ঘজীবন হলে ক্ষতি কি!!


অহনা নাসরিন 

ভালোবাসার জন্য ছোট্ট মনুষ্যজীবন,আমার কাম্য নয়
কচ্ছপের দীর্ঘায়ু জীবন চাই।

পাখির কাছে চেয়ে নিলাম মধুর কোন গানের কথা
বৃক্ষ দিলো শীতল ছায়া
মাটি দিলো কেবল মায়া
মেঘ দু'হাত ভরে উজার করে দিলো স্নিগ্ধ জলধারা।

আশ্রয়দাতা হোক মরুদ্যান
শতবর্ষী উদ্ভিদ আমায় দিবে উজ্জ্বল পরমায়ু যখন
চঞ্চল ঝরনা দিবে পাহাড় বেয়ে চলার চলিষ্ণু জীবন।

ফুলের কাছে চেয়ে নিলাম সৌরভ
গর্ভবতী মা জানালো কষ্ট কেমন করে নীল হয়
অর্জিত হয় মাতৃত্বের গৌরব।
চাঁদ- নদীরজল গভীর প্রণয়ে আমাকে শেখালো
দূরত্ব অতি তুচ্ছ। 

ফুল-ফল-পাখি-নদী গৃহশিক্ষক। তালিম দিতে দিতে 
আজ যোগ্য শিষ্য।
রাত-দিন কেবল মুখস্থ করেছি ভালোবাসার পদাবলি
একদিন
তোমাকে আবৃত্তি করবো; শ্রেষ্ঠ আবৃত্তি শিল্পীর মতো।

তোমার হাতে-হাত। 
সূর্যটা পাকা কমলালেবুর মতো গোলাকার পশ্চিমে, 
নিভে যাওয়া প্রদীপের মতো জ্বলজ্বল করছে
কিংবা ক্লান্ত পথিক যেমন মাটির দেয়ালে হেলান দিয়ে ঘুমায়। 

হাহাকার কেন হৃদয়ে!
কেন ভালোবাসা ফুরিয়ে যায়!
উপেক্ষা করতে করতে মানুষ অপেক্ষা করে, 
আবার অপেক্ষা করতে করতে ঘৃণা করতে শিখে যায়। 

ঘৃণা-প্রেমের চক্রাকারে জীবনবৃত্ত ঘুরতে ঘুরতে ;
রাত নেমে আসে এইতো জীবন। 
ভালোবাসার জন্য এই জীবন, অতি ছোট্ট।
দীর্ঘজীবন হলে ক্ষতি কি! আমি একটা দীর্ঘজীবন চাই l

Comment